রবীন্দ্রসমগ্র /
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।
- ঢাকা : Pathak Shamabesh; ২০১১.
- 973 p. : 22 cm.
- রবীন্দ্রসমগ্র : ০১ থেকে ২৫ খণ্ড । .
একনজরে ২৫ খণ্ডে রবীন্দ্রসমগ্র: বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রাণপুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশতজন্মবার্ষিকী : ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/২০১১ খৃস্টাব্দ। পাঠক সমাবেশ-এর শ্রদ্ধার্ঘ্য : ২৫ খণ্ডে রবীন্দ্রসমগ্র। ২৫ খণ্ডে রবীন্দ্রসমগ্রে কবিতা ও গান, নাটক ও প্রহসন, উপন্যাস ও গল্প, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র ঠিকানা, চিঠিপত্র, বক্তৃতা, শ্রদ্ধাঞ্জলি, আর, কথোপকথন, সাক্ষাতকার, সংবাহন, ইংরেজি কবিতা, সাহিত্য, রবীন্দ্রনাথ আর্কাইভ বিষয়ের লেখা স্থান পেয়েছে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম : ২৫ বৈশাখ ১২৬৮/ ৭ মে ১৮৬১; মৃত্যু ২২ শ্রাবণ ১৩৪৮ / ৭ আগস্ট ১৯৪১ ॥ জন্ম ও মৃত্যু : কলকাতায় জোড়াসাঁকেfর পৈতৃক বাড়িতে। বিস্ময়কর ও সর্বগ্রাসী প্রতিভাধর বাঙালি এই কবির নানা অভিধা : কবি : দার্শনিক ॥ শিক্ষাবিদ ॥ গীত-রচয়িতা ॥ সুরকার ॥ কণ্ঠশিল্পী ॥ নাট-প্রহসন-রচয়িতা ॥ অভিনেতা ॥ ঔপন্যাসিক ॥ গল্পকার ॥ প্রবন্ধকার ॥ পত্রিকা-সম্পাদক ॥ চিত্রশিল্পী ॥ কৃষি-উদ্ভিদবিদ্যা-বিজ্ঞানবিষয়ক রচনকার ॥ সমবায়-কৃষিব্যাংক ধারণার প্রবর্তক ॥ সমাজসংস্কারক ॥ পর্যটক। বিপুল রচনাসম্ভারে রয়েছে কবিতাগ্রন্থ (গান ও কাব্যনাট্য বাদে) : ৬৫টি। গান : প্রায় ২ হাজার ৫ শো ॥ ছোটগল্প ১১৯টি ॥ উপন্যাস ১৩টি। নাটক (কাব্যনাট্য-পদ্যনাটক-নৃত্যনাট্য-প্রহসন) : ৫০টি ॥ ভ্রমণকাহিনী : ৯টি ॥ শিশুসাহিত্য : ৯টি। চিত্রকলা : প্রায হাজার ॥ দেশ-বিদেশে অনেকবার চিত্রপ্রদর্শনী হয়, যেমন প্যারিসে (১৯৩০), বোম্বাইয়ে (১৯৩৩)। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশেরই জাতীয়-সংগীত-রচয়িতা। এশিয়ার প্রথম বাঙালি নোবেল-পুরস্কার-বিজয়ী। গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য এ পুরস্কার লাভ : ১৩ নভেম্বর ১৯১৩। পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়িক সম্মান : অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় (হিবার্ট বক্তৃতা ১৯৩০, ডি. লিট উপাধি ১৯৪০) ॥ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় (বিশ্ববিদ্যালয় (ডি. লিট. উপাধি ১৯১৩, জগত্তারিণী স্বর্ণপদক ১৯২১, কমলা বক্তৃতা ১৯৩৩, রামতনু লাহিড়ী অধ্যাপক ১৯৩২-৩৪) ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ডি. লিট. উপাধি ১৯৩৬) ॥ ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (ডি. লিট. উপাধি ১৯৩৮) ॥ হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়, কাশী (ডি. লিট. উপাধি ১৯৩৫) ॥ অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় (কৃষ্ণস্বামী বক্তৃতা ১৯৩৩)। জমিদারি তদারকিতে বাংলাদেশে শিলাইদহ, সাজাদপুর ও পতিসরে অবস্থান : প্রধানত উনবিংশ শতাব্দির শেষ দশক এবং অনিয়মিতভাবে বিংশ শতাব্দির প্রথম ও দ্বিতীয় দশক। ঢাকায় আগমন : এক প্রাদেশিক সম্মেলনে যোগদান (১৮৯৮) ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতাদান (১৯২৬)। শান্তিনিকেতনে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠা : ডিসেম্বর ১৯০১। শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠা : ১৯২১। শ্রীনিকেতনে পল্লিগ্রাম পুনর্নির্মাণ শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা : ১৯২২। বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদ : ১৯০৫। জালিয়ানওয়ালাবাগে হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে নাইটহুড (স্যার) উপাধি প্রত্যাখ্যান : ১৯১৯। নোবেল পুরস্কারের টাকা পতিসরে কৃষিব্যাংক প্রতিষ্ঠা ও অন্যান্য জনহিতকর কাজে ব্যয় করেন